একটি কাজের তালিকা আপনাকে ভাল ঘুম হতে সাহায্য করতে পারে।

একটি ছোট কিন্তু কৌতুহলী গবেষণায় পাওয়া যায় যে মানুষ ঘুমানোর আগে একটি কাজের তালিকা লেখার সময় দ্রুত ঘুমায়।

বেইলর বিশ্ব বিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের স্লিপ নিওরোসাইন্স এবং কনগ্নিশন ল্যাবরোটরির পরিচালক মাইকেল কে স্ক্লিনের নেতৃত্বে ৫৭ জন শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবীদের এক গবেষণায় অংশগ্রহন করে। প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবী ল্যাব এ এক রাত ঘুমন্ত কাটিয়েছেন।

তাদের দুটি বিষয়ে গ্রুপ করে বিভক্ত করা হয়। এক গ্রুপকে নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করার প্রয়োজন এমন একটি লিস্ট লিখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আর অন্য গ্রুপ কে সম্প্রতি সম্পন্ন করা কাজের সম্পর্কে লিখতে বলা হয়েছে ।

পলিসমনোগ্রাফির মাধ্যম যা ইলেক্টোড ব্যবহার করে মস্তিস্কের কার্য্যকলাপ নিরীক্ষন করে জানা যায় যে, অংশগ্রহণকারীদের ঘুম এর আলাদা ফলাফল পাওয়া যায়। যারা একটি নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করার প্রয়োজন এমন একটি লিস্ট লিখেছে তারা ১০ মিনিট বেশী দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন।

আমরা সুস্থ তরুন প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়োগ করেছি, এবং তাই আমরা জানিনা যে আমাদের গবেষণায় অনিদ্রার রোগীদের একই ফল আসবে কিনা, যদিও কিছু লেখা কার্যক্রম পুর্বে এই রোগীদের উপকারের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

সুত্র ইয়াহু নিউজ।

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

মর্ডান স্কুল (কবিতা)

মর্ডান স্কুল
মোহাম্মদ ইকরামুল হক

কলি কালের যুগ এসেছে
আমাদের এই বাংলাদেশে
বাচ্চা কাচ্ছা দিতে হবে
মর্ডান স্কুলেতে ।
তা না হলে কি যাবে আর
এ মুখ দেখানো
পাড়া প্রতিবেশিকে ।

স্কুলেতে গিয়ে দেখি কত্ত রকম ফরম
চাঁদা আছে অনেক রকম
আরো যে কত্ত কি !!
লাগলো টাকা লক্ষাধিক
ভর্তি হল বাচ্ছা, ভাবছি এখন কি ?
এইবার বুঝি ইজ্জত আমার
হইল লেবেল হাই ,
পাড়া প্রতিবেশি কি আর
এইবার আর আমার নাগাল পায় ।

স্কুল থেকে বই দিবে, খাতাও দিবে,
আরো দিবে জুতা,
ব্যগটাও যে তারা দিবে,
আপনাকে শুধু দিতে হবে
ডাবল ডাবল টাকা।

বানাতে হবে স্কুল ড্রেস,
তাদেরই দর্জির দোকানে
আপনাকে শুধু দিতে হবে
ডাবল ডাবল দাম।

আপনার কি হইবে যে হাল
তাদের যে নেই সেই তাল
আপনাকে শুধু দিতে হবে
দাম ডাবল ডাবল ।

সব কিছুই তো তারা দিবে
আপনার কি আর চিন্তা !
পরালেখাটা শুধু আপনার ঘরে
করতে হবে সারা।

মাসে মাসে বেতন নিবে
তাও ডাবল ডাবল
এটাও নাকি হয়ে গেছে
একালের এক ফ্যশন ।

বাল্য প্রেম আর বাস্তবতা (কবিতা)

বাল্য প্রেম আর বাস্তবতা
মোহাম্মদ ইকরামুল হক

তুমি তখন সেভেনে কিংবা এইটে
আমি আর তুমি পরেছিলাম প্রেমে
অনেক কস্টে একটা গোলাপ এনে
দিতাম দুই কি তিন দিন যেত লেগে।
তোমার হাতে দিতেই তা ঝরে যেত পাপড়ি
তুমি তাই দেখে ভাবতে প্রেমের হবে কি শনি ।

ভাবতে ভাবতে তাই হল
কোত থেকে এক পাত্র এল
মস্ত বড় গুড়ের আরতদার ।
আমার কি আছে কিছু করার ।

মাত্র আমি ছাত্র, বাবার হোটেলে বিনা পয়সার কাস্টমার।
বাবায় আমায় ধমক দিলে দেই আমি মুইত্তা দিতাম
আমি আবার ঘরে তাদের সবচেয়ে বড় পোলা্‌
কেমনে কমু তোমার কথা তার সামনে দাঁড়াইয়া !!

বাজল তোমার সানাই ,
আমি যে কোথায় পালাই !
কেউ বলে তুই সেকা খাইছস, তাই খা আকিজ বিড়ি ।
কেউ বলে মজনু, তাই রাখ দাড়ি ।

তুমি যখন দেখিতেছ পোলা মাইয়ার মুখ
আমি তখন বেকার ছাত্র চিন্তায় নাই সুখ।

আমি যখন দেখিলাম মাত্র পোলার মুখ
তুমি তখন দেখিতেছ নাতি নাত্নির মুখ ।

এত বছর পড়ে
এটাই হল মনে
হায়রে বাল্য প্রেম
হায়রে বাস্তবতা !!

ছিঁড়া নোট ? কোন ভাবনা নয় !

মনে করুন আপনার ১০০ টাকার একটা ছিঁড়া নোট আপনার কাছে যেভাবেই হউক এসে গেছে এখন চালাতে পারছেন না । আপনি যেভাবে চালাতে পারেন তবে প্রথম শর্ত হল টাকা টা বৈধ (মানে জাল না) হতে হবে।

০১. বাজার করুন বা গাড়ি ভাড়া দেন সব সময় ওই ছেঁড়া টাকাটা দিতে থাকুন, ফেরত দিলে ঝগড়া না করে ফেরত নিয়ে নিন, কয়েকজন কে দিলে কেউ না কেউ নিয়ে নিবে ।

০২. বেশি ছেঁড়া হলে রাতের দিকে উপড়ের টেকনিক ব্যবহার করতে পারেন ।
তবে আমার বন্ধুর ছোটকালে এমন করতে গিয়ে বিপদে পরেছিল, আনোয়ার কাকা (মুদি দোকানি) রাত্রে ভালো দেখত না লোডশেডিং হলে আমরা সবাই তার কাছেই যেতাম ছিঁড়া টাকা নিয়ে আর উনি আমাদের সদাই দিয়ে দিতেন, ও ধরা পড়ে গেল বিদ্যুৎ চলে আসার কারনে , কাকা ছেঁড়া টাকা দেখে ফেল্ল, যার ফলে কাকা টাকা আটকে দিল ও আবার অনেক সেয়ান ও সমানে অভিশাপ দিতে থাকল (এইটাকা না দিলে দোকান ফতুর হয়ে যাবে) কাকা আর দেরি করে নাই টাকা ফিরত দিয়েদিল।
০৩. বাস কাউন্টারে বাস আসার পর তাড়াহুড়া করে কাউন্টারে ছেঁড়া টাকাটা দেন টিকেট নিয়ে নিন ও মনে রাখবেন কাউন্টার পার্সন ও আপনাকে এই সময় ছেঁড়া টাকা দিয়ে দিবে কারন আপনি ও বাসে উঠবেন , মেনে নিন ।

০৪। এবার আসি সরকারী নিয়মে ছিঁড়া টাকা চালানোর উপায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ছেঁড়া-ফাটা নোট যদি বদল যোগ্য হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেও বদলে নেয়া যায়। অবস্থাভেদে একশ ভাগ, ৭৫ ভাগ, ৫০ ভাগ রীফান্ড করা যায়। সাধারনত ৫১ শতাংশ এর কম ছেঁড়া থাকলে নোটের পুরো মূল্যমানই প্রদান করা হয় । তবে একটি নোটের অর্ধেকো কম অংশ থাকলে তা রিফান্ড করা হয় না ।
এছাড়া দেশের সব বানিজ্যিক ব্যাংক এর যে কোন শাখায় গিয়ে বদল করে নেওয়া যায় । বাংলাদেশে ব্যাংক এর নির্দেশনায় বলা আছে, তিন-চতুর্থাংশ ছেঁড়া ও ময়লা নোটের ক্ষেত্রে জমা মুল্য সঙ্গে সঙ্গেই প্রদান করা হবে। অধিক ছেঁড়া, অত্যাধিক জীর্ন, আগুনে পোড়া, ঝলসানো এবং , তিন-চতুর্থাংশ এর কম রয়েছে – এমন নোটের বিনিময় মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রদান করা হবে । এই মূল্য সংগ্রহের জন্য এসব নোট বাংলাদেশ ব্যাংক এ প্রেরনের ডাক বা কুরিয়ার মাশুল নোট জমাদানকারী থেকে আদায় হবে।

ওহ একটা কথা, দয়া করে ভুলেও ভিক্ষুকে , মসজিদে বা অন্য কোথাও ছিঁড়া টাকা দিবেন না, হিতে বিপরীত হতে পারে ।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল ।