যানবাহনের ভাড়া দেয়া/নেয়া সম্পর্কিত মাসায়েল

কোন যানবাহন ভাড়া (রিজার্ভ) নিয়ে তার স্ববভাবিক ক্যপাসিটির বাইরে লোক/মাল বোঝাই করা যাবে না। তবে মালিক যদি চায় বা সম্মত হয় তাহলে তার সে অধিকার আছে। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

কোথাও যাতায়াতের জন্য রিকসা মোটর বা অন্য কোন যানবাহন ভাড়া নেয়ার পর মতের পরিবর্তন হলে রিকসা বা মোটর ফেরত দেয়া যায়। কিন্তু রিকশার প্রচুর সময় ব্যয় করে থাকলে অথবা মোটরে কিছু পথ অতিক্রম করে থাকলে ঐ সময়ের মজুরি/জ্বালানীর দাম দিতে হবে।

যে পর্যন্ত যাওয়ার ভাড়া করা হয়েছে অথবা টিকেট নেয়া হয়েছে যাত্রী তার চেয়ে বেশী গেলে আনুপাতিক হারে জরিমানা (অতিরিক্ত ভাড়া) দিতে হবে।

যানবাহন কোন নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেয়ার শর্তে ভাড়া নেয়ার পর পথে তা নষ্ট/অকেজো হয়ে পরলে ওয়াদাকৃত স্থানে পৌঁছে দেয়া মালিকের দায়িত্ব। যদি যাত্রীদের বিলম্ব/অপেক্ষা করার অবকাশ না থাকে, তাহলে যে পরিমাণ পথ সে অতিক্রম করেছে তার ভাড়া পরিশোধ করে অন্য যানবাহনে যেতে পারবে। মালিক ভাড়া অগ্রিম নিয়ে থাকলে তার কর্তব্য বাকীটুকু ফেরত দেয়া। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

কেউ মোটর রিকসা বা কোন যানবাহন ভাড়া নিলে কি কাজের জন্য, কি মাল বহন করার জন্য এবং তা কত সময় বা কত দুরত্বের জন্য তা পরিষ্কার ভাবে বলে নিতে হবে। যাতে পরে কোন বিরোধ/সংঘর্ষ দেখা না দেয়। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

ভাড়াটিয়া শেষ পর্যন্ত ভাড়া না নিলে অথবা যানবাহন ব্যবহার না করলে গৃহীত অগ্রিম টাকা মালিকের হবে-এই শর্তে ভাড়ার অগ্রিম লেন-দেন জায়েয নেই। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

রেলগাড়ী, ট্রাক, ঠেলাগাড়ি প্রভৃতিতে যে ধরনের ও যে পরিমাণ মালামাল বোঝাই করার ওর্ডার নেয়া হয়েছে বা চুক্তি হয়েছে, তার চেয়ে বেশী পরিমাণ দ্রব্য বোঝাই করা জায়েয নয়। এমনিভাবে যাত্রীর সাথে যে পরিমাণ মাল নেয়ার সুযোগ কর্তিপক্ষ দেয়, চুরি করে তার চেয়ে বেশী নেয়া জায়েয নয়। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

কারো মালামাল নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দেয়ার অর্ডার নিলে সেখানে পৌঁছে দেয়া এবং পৌঁছানো পর্যন্ত ভাঙ্গা চুরা ও নষ্ট হওয়ার যাবতীয় দায়িত্ব যানবাহনওয়ালার উপর বর্তায়। আর কোন জীবজন্তু পাঠালে তার খাদ্য, মাছ পাঠালে তাতে বরফ দেয়া অথবা ডিম পাঠালে তা শীতল রাখার ব্যবস্থা করা মালিকের উপর বর্তাবে। মোটকথা- মালামালের নিরাপত্তার দায়িত্ব যানবাহন কর্তিপক্ষের এবং সংরক্ষণের দায়িত্ব মালিকের। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

নির্দিষ্ট সময় বা নির্দিষ্ট স্থানে পৌছার জন্য কোন যানবাহন রিজার্ভ করলে বা ট্রেনের সিট রিজার্ভ করলে উক্ত সময়ের জন্য বা দুরত্বের মধ্যে অন্য কাউকে চড়তে না দেয়ার অধিকার এসে যায়। (সুত্রঃ ইসলামি ফিকাহ, ৩য়)

সুত্রঃ হাদিস হালাল রুজি, পৃষ্ঠা নং ৮৩, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওঃ আশরাফ আলী থানভি (রহঃ)

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

চাকুরী বা বসবাসের জন্য বিদেশ গমনের মাসায়েল

নিজের দেশে এবং নিজের শহরে অন্যান্য লোকদের ন্যায় জীবন জীবিকা চালানোর মত আয় উপার্জনের ব্যবস্থা থাকলে শুধু মাত্র জীবনের মান বৃদ্দির জন্য এবং বিলাসী জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে কোন অমুসলিম দেশে গমন করা মাকরূহ।

সমাজে সন্মান বৃদ্দির উদ্দশ্যে বা অন্যান্য মুসল্মানের উপর বড়ত্ব প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বা বিজাতীয় কৃষ্টি সভ্যতার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়ানোর উদ্দেশ্যে কোন অমুসল্মান দেশে বসতি গ্রহন করা হারাম।

নিজের দেশে থেকে ন্যুনতম জীবন জীবিকার ব্যবস্থাও করতে না পারলে যদি কোন অমুসলিম দেশে কোন বৈধ চাকুরী পাওয়া যায় তাহলে সেখানে যাওয়া ও থাকা জায়েয দুইটি শর্তেঃ (১) সেখানে গেলে ঈমান আমল রক্ষা পাওয়ার ব্যপারে এতমীনান থাকতে হবে। (২) সেখানে প্রচলিত অন্যায় ও অশ্লীলতা থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে বলে নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

কোন অপরাধ ছাড়া নিজের দেশে জেল জরিমানা বা সম্পদ বাজেয়াপ্ত হওয়ার মত পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেও অমুসলিম দেশে বসবাস করতে যাওয়া জায়েয উপরোক্ত দুইটি শর্তে ।

অমুসলিমদেরকে দাওয়াত ও তাবলীগের উদ্দেশ্যে হলে অমুসলিমদের দেশে বসবাস করতে যাওয়া জায়েয বরং উত্তম।

সুত্রঃ হাদিস হালাল রুজি, পৃষ্ঠা নং ৭৭, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওঃ আশরাফ আলী থানভি (রহঃ)

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

সম্পদ সঞ্চয় ও সংরক্ষণের মাসায়েল

(০১) জরুরী দায়িত্ব আদায় করার পর সাধারণ অবস্থায় নিজের এবং নিজের সন্তানাদি ও পরিবারের জন্য কিছুটা সঞ্চয় রাখা উত্তম, যাতে পরে নিজেকে ও নিজের সন্তানাদিকে অন্যের কাছে হাত পাততে না হয় ।

(০২) সুদ ভিত্তিক ব্যাংকে টাকা জমা রাখা জায়েয নয়। কারন, এতে সুদ ভিত্তিক কারবারের অন্যায়ে সহযোগিতা করা হয়। তবে আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলে বা অনন্যোপায় অবস্থায় সম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে রাখার অনুমতি রয়েছে।

(৩) ব্যাংকের সুদের টাকা ব্যংকে ছেড়ে দিয়ে আসা অন্যায়। কেননা তারা এটাকে সঠিক খাতে এবং মাসআলা অনুযায়ী ব্যয় করবে না বরং নিয়ম হল এ টাকা তুলে এনে গরীব মিসকিনদের মধ্যে (ছওয়াবের নিয়ত ছাড়া) বন্টন করে দিবে।

(৪) ব্যাংক সুদের টাকা জনকল্যাণ মূলক কাজে ব্যয় করা যায় না। (যেমন রাস্তা-ঘাট নির্মান, মুসাফিরখানা নির্মান ইত্যাদি) গরিব-মিসকিনকে প্রদান করতে হবে।

(৫) বর্তমানে প্রচলিত “বীমা” সুদ ও জুয়ার সমষ্টি বিধায় তা করানো জায়েয নয়। তবে আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলে ভিন্ন কথা। জীবন বীমা হলে বীমার মূল অর্থ মালিক বা তার ওয়ারিছগণ ভোগ করবেন। বাকিটা সুদের অর্থের ন্যায় সদকা করে দেয়া ওয়াজিব।

(৬) সম্পদ সংরক্ষণের স্বার্থে চোর, ডাকাত প্রভৃতির নিকট সম্পদের কথা অস্বীকার করা জায়েয, এতে মিথ্যার গোনাহ হবে না।

(৭) সম্পদ রক্ষার স্বার্থে কেউ নিহত হলে সে শাহাদাতের ছওয়াব লাভ করবে।

সুত্রঃ হাদিস হালাল রুজি, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওঃ আশরাফ আলী থানভি (রহঃ)

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

সন্দেহযুক্ত হালালও বর্জন করা উচিত

বান্দা পুরোপুরি পরহেযগার হতে পারে না যতক্ষণ না ঐ হালালকে বর্জন না করে যাতে হারামে পতিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। মেশকাত শরীফ।

অর্থাৎ কোন বস্তু সম্পুর্ন হালাল এবং কোন কাজ মোবাহ এবং জায়েয; কিন্তু তাতে আকৃষ্ট হয়ে এমন মাল ভক্ষন করলে গুনাহে পতিত হবার আশঙ্কা আছে। তখন এমন হালাল মালও খাবে না এবং এমন জায়েয কাজও করবে না। কেননা যদিও এই মাল খাওয়া এবং এই কাজ করা গুনাহ নয়, কিন্তু তার দ্বারা গুনাহে পতিত হওয়ার আশঙ্কা আছে। কারন অন্যায় কাজের উপায় উপকরনও অন্যায়। যেমন, ভাল ভাল দ্রব্য খাওয়া-পরা জায়েয ও হালাল।

কিন্তু অতিরিক্ত ভোগবিলাসে লিপ্ত হল গুনাহে জড়িত হবার সম্ভাবনা আছে। এই জন্য পুর্ন খোদাভীরুতা এবং উচ্চস্তরের পরহেযগারী হল এই ধরনের কাজ হতে বেঁচে থাকা। সন্দেহের মাল নেয়া মাক্রুহ, কিন্তু তা খাওয়ার সাহস করলে ভয় আছে যে, অদূর ভবিষ্যতে হারাম খেতে বাধ্য হবে। অতএব, এমন মাল হতে বেঁচে থাকা কর্তব্য।

সুত্রঃ হাদিস হালাল রুজি, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওঃ আশরাফ আলী থানভি (রহঃ)

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

হারাম মাল দান করলে কবুল হয় না

জনাব রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, এটা সম্ভব নয় যে, হারাম মাল রোজগার করে তা হতে দান করলে আল্লাহ তা’য়ালা তা কবুল করবেন। তা খরচ করলে তাতে বরকত হবে না। আর এটা নিশ্চিত যে, মাল ত্যাজ্য সম্পত্তিরূপে রেখে গেলে তা দোযখে পৌঁছাবার সম্বল হবে। অর্থাৎ হারাম উপায়ে মাল রোজগার করে দান করলে কবুল হবে না এবং ছওয়াব পাবে না। এমনকি, কতক আলেম বলেছেন, হারাম মাল খয়রাত করে ছওয়াবের আশা করা কুফরি।

যদি কেউ ছওয়াবের নিয়্যাতে কোন ভিক্ষুককে হারাম মাল দান করে, আর সেই ভিক্ষুক তা হারাম মাল জেনেও যদি দাতার জন্য দুয়া করে উক্ত ওলামাদের মতে কাফের হয়ে যাবে। আর যদি এই ধরনের ধন-সম্পত্তির অন্য কোন কাজে ব্যয় করা হয়, তবু বিন্দুমাত্র বরকত হবে না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’য়ালা কখনো মন্দকে মন্দ দ্বারা দূর করেন না।

অর্থাৎ যেহেতু হারাম মাল খয়রাত করা নিষেধ এবং গুনাহ কাজেই ঐ গুনাহ্ দ্বারা অন্য গুনাহ্ মাফ হতে পারে না। কিন্তু ভাল দ্বারা মন্দকে মিটাইয়া দেন (অতএব, যখন নিয়মতান্ত্রিক ভাবে শরীয়ত অনুযায়ী হালাল মাল দান করা হয়, ঐ দান গুনাহের কাফফারা হবে)। নিশ্চয় খবিছ (অর্থাৎ হারাম মাল) খবিছকে (অর্থাৎ গুনাহকে) দূর করে না। – মেশকাত শরীফ ।

সুত্রঃ হাদিস হালাল রুজি, হাকিমুল উম্মত হযরত মাওঃ আশরাফ আলী থানভি (রহঃ)

একটি কাজের তালিকা আপনাকে ভাল ঘুম হতে সাহায্য করতে পারে।

একটি ছোট কিন্তু কৌতুহলী গবেষণায় পাওয়া যায় যে মানুষ ঘুমানোর আগে একটি কাজের তালিকা লেখার সময় দ্রুত ঘুমায়।

বেইলর বিশ্ব বিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের স্লিপ নিওরোসাইন্স এবং কনগ্নিশন ল্যাবরোটরির পরিচালক মাইকেল কে স্ক্লিনের নেতৃত্বে ৫৭ জন শিক্ষার্থী স্বেচ্ছাসেবীদের এক গবেষণায় অংশগ্রহন করে। প্রতিটি স্বেচ্ছাসেবী ল্যাব এ এক রাত ঘুমন্ত কাটিয়েছেন।

তাদের দুটি বিষয়ে গ্রুপ করে বিভক্ত করা হয়। এক গ্রুপকে নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করার প্রয়োজন এমন একটি লিস্ট লিখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল আর অন্য গ্রুপ কে সম্প্রতি সম্পন্ন করা কাজের সম্পর্কে লিখতে বলা হয়েছে ।

পলিসমনোগ্রাফির মাধ্যম যা ইলেক্টোড ব্যবহার করে মস্তিস্কের কার্য্যকলাপ নিরীক্ষন করে জানা যায় যে, অংশগ্রহণকারীদের ঘুম এর আলাদা ফলাফল পাওয়া যায়। যারা একটি নিকট ভবিষ্যতে সম্পন্ন করার প্রয়োজন এমন একটি লিস্ট লিখেছে তারা ১০ মিনিট বেশী দ্রুত ঘুমিয়ে পড়েন।

আমরা সুস্থ তরুন প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়োগ করেছি, এবং তাই আমরা জানিনা যে আমাদের গবেষণায় অনিদ্রার রোগীদের একই ফল আসবে কিনা, যদিও কিছু লেখা কার্যক্রম পুর্বে এই রোগীদের উপকারের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

সুত্র ইয়াহু নিউজ।

ভাল লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

মালেশিয়ান নিখোঁজ বিমানের সর্ব শেষ অগ্রগতি জেনে নিন ।

মার্চ ৮ ২০১৪ এ মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট এম এইচ ৩৭০ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে হটাত রাডার বন্ধ হয়ে যায়। দক্ষিন ভারত মহাসাগরের বিস্তৃত অংশে ব্যপক এবং ব্য্যবহুল অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিমান এবং এর ২৩৯ টি নাবিক এবং যাত্রি এখনো পাওয়া যায়নি ।

বিমানচালনা শিল্প বোর্ড নিজেই, আত্নিয়স্বজনদের উত্তর গুলির জন্য বেপরোয়া, কিন্তু সেই ভয়াবহ রাতের ঘটনা একটি রহস্যের মধ্যে রয়ে গিয়েছে ।

কিন্তু এখন কয়েক মাস ধরে আলচনার পর, মার্কিন যুক্তরাস্টের সমুদ্রপৃষ্ঠের অম্বেশন সংস্থা ওশেন ইনফিনিটি কিছু আশার প্রস্তাব দিচ্ছে । মালয়েশিয়ার সরকার মালয়েশিয়ায় একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে যা এটি পারিশ্রমিকের ভিত্তিতে খোঁজার জন্য তার শক্তিশালি অনুসন্ধান প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার অনুমতি দেবে।
ওশেন ইনফিনিটি সমুদ্রগর্ভ স্থপতি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান , ১৭ই জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গভীর সমুদ্র অনুসন্ধানের জন্য ইতিমধ্যে দক্ষিন ভারতীয় মহাসাগরের অনুসন্ধান এলাকায় যাওয়ার পথে রয়েছে ।

টেক্সাস ভিত্তিক কোম্পানি যদি এয়ারলাইন্সের সন্ধান পায় তবে ৭০ মিলিয়নের বেশী পরিমান ইউ এস ডলারে মালয়েশিয়ার সরকার এই সপ্তাহে চুক্তি নিশ্চিত করবে এবং এর মধ্যে ৯০ দিনের মধ্যে এটি করতে হবে ।
প্রথমিক অনুসন্ধান
মালয়েশিয়া, চিন ও অস্ট্রেলিয়া কর্তিক পরিচালিত একটি দির্ঘমেয়াদী বহুজাতিক অনুসন্ধানটি দক্ষিন ভারত মহাসাগরের প্রায় ৫০,০০০ বর্গ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল কিন্তু ২০১৭ সালের শুরুতে প্লেনটির সন্ধানে ব্যর্থ হওয়ার পর বোয়িং ৭৭৭ নাম্বারটি বাতিল করা হয় ।
ওশেন ইনফিনিটি সমুদ্রগর্ভ স্থপতি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আগ্রহের একটি ক্ষেত্র হিসেবে চিনহিত প্রায় ১০,০০০ বর্গমিটারের অঞ্চলের উপর দৃষ্টি নিবন্ধ করবে । অস্ট্রেলিয়ান পরিবহন সেফটি ব্যুরো বিশ্বাস করে যে একটি উচ্চ সম্ভাবনা যে এই বিমানটি সে অঞ্চলে কোথাও অবস্থিত ।

ওশেন ইনফিনিটি তার ওয়েব সাইটে বলে যে তাদের ৬৫ টি নাবিক রয়েছে এবং আটটি স্বায়ত্তশাসিত ডুবোজাহাজের গারিগুলি পরিচালনা করছে যা আগের প্রচেষ্টাগুলোর তুলনায় অধিকতর বিস্তারিত (এইচডি ক্যমেরা এবং এরো অব সেন্সর ) এবং চার গুন বেশি দ্রুত অনুসন্ধান করতে পারে। সুনিদৃস্ট পজিশনিং এবং যোগাযোগের জন্য ছয় জাতিগোষ্ঠীর পৃস্ততল ডুবো গাড়ির সাথে কাজ করে।
এটি এমন একটি প্রকল্পে প্রথমবারের মত কোম্পানিটি নিয়েছে, কিন্তু সমুদ্রপৃস্টের ম্যপিং এবং ইমেজিং, সামুদ্রিক ভুতাত্তিক জরিপ এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষনের জন্য গভীর সমুদ্রের প্রযুক্তি ব্যবহার করে এটির অভিজ্ঞতা ভাল অবস্থানে রয়েছে।
সুত্র ইয়াহু নিউজ

মর্ডান স্কুল (কবিতা)

মর্ডান স্কুল
মোহাম্মদ ইকরামুল হক

কলি কালের যুগ এসেছে
আমাদের এই বাংলাদেশে
বাচ্চা কাচ্ছা দিতে হবে
মর্ডান স্কুলেতে ।
তা না হলে কি যাবে আর
এ মুখ দেখানো
পাড়া প্রতিবেশিকে ।

স্কুলেতে গিয়ে দেখি কত্ত রকম ফরম
চাঁদা আছে অনেক রকম
আরো যে কত্ত কি !!
লাগলো টাকা লক্ষাধিক
ভর্তি হল বাচ্ছা, ভাবছি এখন কি ?
এইবার বুঝি ইজ্জত আমার
হইল লেবেল হাই ,
পাড়া প্রতিবেশি কি আর
এইবার আর আমার নাগাল পায় ।

স্কুল থেকে বই দিবে, খাতাও দিবে,
আরো দিবে জুতা,
ব্যগটাও যে তারা দিবে,
আপনাকে শুধু দিতে হবে
ডাবল ডাবল টাকা।

বানাতে হবে স্কুল ড্রেস,
তাদেরই দর্জির দোকানে
আপনাকে শুধু দিতে হবে
ডাবল ডাবল দাম।

আপনার কি হইবে যে হাল
তাদের যে নেই সেই তাল
আপনাকে শুধু দিতে হবে
দাম ডাবল ডাবল ।

সব কিছুই তো তারা দিবে
আপনার কি আর চিন্তা !
পরালেখাটা শুধু আপনার ঘরে
করতে হবে সারা।

মাসে মাসে বেতন নিবে
তাও ডাবল ডাবল
এটাও নাকি হয়ে গেছে
একালের এক ফ্যশন ।

বাল্য প্রেম আর বাস্তবতা (কবিতা)

বাল্য প্রেম আর বাস্তবতা
মোহাম্মদ ইকরামুল হক

তুমি তখন সেভেনে কিংবা এইটে
আমি আর তুমি পরেছিলাম প্রেমে
অনেক কস্টে একটা গোলাপ এনে
দিতাম দুই কি তিন দিন যেত লেগে।
তোমার হাতে দিতেই তা ঝরে যেত পাপড়ি
তুমি তাই দেখে ভাবতে প্রেমের হবে কি শনি ।

ভাবতে ভাবতে তাই হল
কোত থেকে এক পাত্র এল
মস্ত বড় গুড়ের আরতদার ।
আমার কি আছে কিছু করার ।

মাত্র আমি ছাত্র, বাবার হোটেলে বিনা পয়সার কাস্টমার।
বাবায় আমায় ধমক দিলে দেই আমি মুইত্তা দিতাম
আমি আবার ঘরে তাদের সবচেয়ে বড় পোলা্‌
কেমনে কমু তোমার কথা তার সামনে দাঁড়াইয়া !!

বাজল তোমার সানাই ,
আমি যে কোথায় পালাই !
কেউ বলে তুই সেকা খাইছস, তাই খা আকিজ বিড়ি ।
কেউ বলে মজনু, তাই রাখ দাড়ি ।

তুমি যখন দেখিতেছ পোলা মাইয়ার মুখ
আমি তখন বেকার ছাত্র চিন্তায় নাই সুখ।

আমি যখন দেখিলাম মাত্র পোলার মুখ
তুমি তখন দেখিতেছ নাতি নাত্নির মুখ ।

এত বছর পড়ে
এটাই হল মনে
হায়রে বাল্য প্রেম
হায়রে বাস্তবতা !!

ছিঁড়া নোট ? কোন ভাবনা নয় !

মনে করুন আপনার ১০০ টাকার একটা ছিঁড়া নোট আপনার কাছে যেভাবেই হউক এসে গেছে এখন চালাতে পারছেন না । আপনি যেভাবে চালাতে পারেন তবে প্রথম শর্ত হল টাকা টা বৈধ (মানে জাল না) হতে হবে।

০১. বাজার করুন বা গাড়ি ভাড়া দেন সব সময় ওই ছেঁড়া টাকাটা দিতে থাকুন, ফেরত দিলে ঝগড়া না করে ফেরত নিয়ে নিন, কয়েকজন কে দিলে কেউ না কেউ নিয়ে নিবে ।

০২. বেশি ছেঁড়া হলে রাতের দিকে উপড়ের টেকনিক ব্যবহার করতে পারেন ।
তবে আমার বন্ধুর ছোটকালে এমন করতে গিয়ে বিপদে পরেছিল, আনোয়ার কাকা (মুদি দোকানি) রাত্রে ভালো দেখত না লোডশেডিং হলে আমরা সবাই তার কাছেই যেতাম ছিঁড়া টাকা নিয়ে আর উনি আমাদের সদাই দিয়ে দিতেন, ও ধরা পড়ে গেল বিদ্যুৎ চলে আসার কারনে , কাকা ছেঁড়া টাকা দেখে ফেল্ল, যার ফলে কাকা টাকা আটকে দিল ও আবার অনেক সেয়ান ও সমানে অভিশাপ দিতে থাকল (এইটাকা না দিলে দোকান ফতুর হয়ে যাবে) কাকা আর দেরি করে নাই টাকা ফিরত দিয়েদিল।
০৩. বাস কাউন্টারে বাস আসার পর তাড়াহুড়া করে কাউন্টারে ছেঁড়া টাকাটা দেন টিকেট নিয়ে নিন ও মনে রাখবেন কাউন্টার পার্সন ও আপনাকে এই সময় ছেঁড়া টাকা দিয়ে দিবে কারন আপনি ও বাসে উঠবেন , মেনে নিন ।

০৪। এবার আসি সরকারী নিয়মে ছিঁড়া টাকা চালানোর উপায়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ছেঁড়া-ফাটা নোট যদি বদল যোগ্য হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেও বদলে নেয়া যায়। অবস্থাভেদে একশ ভাগ, ৭৫ ভাগ, ৫০ ভাগ রীফান্ড করা যায়। সাধারনত ৫১ শতাংশ এর কম ছেঁড়া থাকলে নোটের পুরো মূল্যমানই প্রদান করা হয় । তবে একটি নোটের অর্ধেকো কম অংশ থাকলে তা রিফান্ড করা হয় না ।
এছাড়া দেশের সব বানিজ্যিক ব্যাংক এর যে কোন শাখায় গিয়ে বদল করে নেওয়া যায় । বাংলাদেশে ব্যাংক এর নির্দেশনায় বলা আছে, তিন-চতুর্থাংশ ছেঁড়া ও ময়লা নোটের ক্ষেত্রে জমা মুল্য সঙ্গে সঙ্গেই প্রদান করা হবে। অধিক ছেঁড়া, অত্যাধিক জীর্ন, আগুনে পোড়া, ঝলসানো এবং , তিন-চতুর্থাংশ এর কম রয়েছে – এমন নোটের বিনিময় মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রদান করা হবে । এই মূল্য সংগ্রহের জন্য এসব নোট বাংলাদেশ ব্যাংক এ প্রেরনের ডাক বা কুরিয়ার মাশুল নোট জমাদানকারী থেকে আদায় হবে।

ওহ একটা কথা, দয়া করে ভুলেও ভিক্ষুকে , মসজিদে বা অন্য কোথাও ছিঁড়া টাকা দিবেন না, হিতে বিপরীত হতে পারে ।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করার অনুরোধ রইল ।